সূচিপত্র
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: কবি ও রচনাটি পরিচিতি
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি মনীষী। তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর রচিত "আত্মচরিত" বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক রচনা, যেখানে তিনি নিজের জীবনসংগ্রাম, শিক্ষা ও সমাজ পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তবে এটি নিছক আত্মজীবনী নয়; বরং এটি রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক ঢঙে রচিত।
গদ্যটির ব্যাখ্যা
"আত্মচরিত" রচনায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর শৈশব, শিক্ষাজীবন এবং সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। বিশেষত, তিনি কীভাবে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে শিক্ষালাভ করেছেন, তা এই রচনায় অত্যন্ত সরল ও রসাত্মক ভাষায় প্রকাশ করেছেন।
📌 মূল বিষয়বস্তু:
✅ শৈশবের দারিদ্র্য ও সংগ্রাম
✅ সংস্কৃত কলেজে বিদ্যাসাগরের শিক্ষাজীবন
✅ সত্যবাদিতা ও নীতিবোধ
✅ সমাজ সংস্কার ও শিক্ষার প্রচার
📌 মূল শিক্ষা:
📖 কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সাফল্য অর্জন সম্ভব।
📖 সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিরাই সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন।
📖 হাস্যরসের মধ্য দিয়ে গম্ভীর বিষয়ও উপস্থাপন করা যায়।
২০টি MCQ (বহুনির্বাচনী প্রশ্ন)
(প্রশ্ন ১-১০: সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন)
"আত্মচরিত" গ্রন্থের লেখক কে?
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম কী ছিল?
ক) ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) ঈশ্বরচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র সেন
উত্তর: খ) ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়"আত্মচরিত" কোন ধরনের রচনা?
ক) নাটক
খ) আত্মজীবনীমূলক রচনা
গ) ভ্রমণকাহিনি
ঘ) গল্পগ্রন্থ
উত্তর: খ) আত্মজীবনীমূলক রচনাঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন কলেজে পড়াশোনা করেন?
ক) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
খ) প্রেসিডেন্সি কলেজ
গ) সংস্কৃত কলেজ
ঘ) হিন্দু কলেজ
উত্তর: গ) সংস্কৃত কলেজ"আত্মচরিত" গ্রন্থের ভাষার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?
ক) কঠোর ও কাব্যিক
খ) সরল, প্রাঞ্জল ও ব্যঙ্গাত্মক
গ) গম্ভীর ও জটিল
ঘ) শুধুমাত্র রূপকধর্মী
উত্তর: খ) সরল, প্রাঞ্জল ও ব্যঙ্গাত্মকঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন সমাজ সংস্কারের জন্য বিখ্যাত?
ক) বিধবা বিবাহ প্রচলন
খ) সতীদাহ প্রথা বন্ধ
গ) বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন
ঘ) কৃষিব্যবস্থা সংস্কার
উত্তর: ক) বিধবা বিবাহ প্রচলনঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবে জন্মগ্রহণ করেন?
ক) ১৮১৭
খ) ১৮২০
গ) ১৮৩৫
ঘ) ১৮৪০
উত্তর: খ) ১৮২০বিদ্যাসাগরের শৈশব কেমন ছিল?
ক) বিলাসবহুল
খ) সংগ্রামময় ও দরিদ্র
গ) রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়
ঘ) সম্পূর্ণ নিরবিচারে কাটানো
উত্তর: খ) সংগ্রামময় ও দরিদ্রঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন নামে বেশি পরিচিত?
ক) সমাজসংস্কারক
খ) বিজ্ঞানী
গ) সংগীতজ্ঞ
ঘ) দার্শনিক
উত্তর: ক) সমাজসংস্কারক"আত্মচরিত" কোন সময় রচিত হয়েছিল?
ক) ১৮৫০ সালের পরে
খ) ১৮৭০ সালের পরে
গ) ১৮৯০ সালের পরে
ঘ) ১৯০০ সালের পরে
উত্তর: খ) ১৮৭০ সালের পরে
(প্রশ্ন ১১-২০: বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন)
- "আত্মচরিত" গ্রন্থে বিদ্যাসাগর কোন জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন?
- সংস্কৃত কলেজে পড়ার সময় বিদ্যাসাগরের জীবন কেমন ছিল?
- বিদ্যাসাগরের রচনার ভাষা কেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ?
- "আত্মচরিত"-এর ব্যঙ্গাত্মক দিক কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?
- বিদ্যাসাগরের আত্মত্যাগ ও পরিশ্রম কীভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পারে?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাজ সংস্কারক কাজ কী ছিল?
- বিদ্যাসাগরের জীবন থেকে কী শিক্ষণীয়?
- "আত্মচরিত" পড়ার মাধ্যমে কোন মূল্যবোধ শেখা যায়?
- বিদ্যাসাগরের সত্যবাদিতা তাঁর জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে?
- তুমি কি মনে করো "আত্মচরিত" বর্তমান সমাজের জন্য প্রাসঙ্গিক? কেন?
৫টি সৃজনশীল প্রশ্ন (CQ) ও উত্তর লেখার নির্দেশনা
প্রশ্ন: "আত্মচরিত" গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর শিক্ষাজীবনের যে চিত্র তুলে ধরেছেন, তা বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের জন্য কীভাবে অনুপ্রেরণা হতে পারে?
✍ উত্তর নির্দেশনা:- শিক্ষাজীবনের সংগ্রাম ও কষ্ট
- ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের গুরুত্ব
- বর্তমানের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা
প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারের কাজ বর্তমান সমাজের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
প্রশ্ন: "আত্মচরিত"-এর ভাষাশৈলী ও ব্যঙ্গাত্মক দিক বিশ্লেষণ কর।
প্রশ্ন: তুমি যদি বিদ্যাসাগরের সময়ে থাকতে, তাহলে কীভাবে তাঁর কাজে অংশ নিতে চাইতে?
প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের জীবনী থেকে তুমি কোন তিনটি শিক্ষা গ্রহণ করতে চাও? কেন?